তুমি হীনা কবিতা - অর্ক আশফাক
তুমি হীনা কবিতা
- অর্ক আশফাক
সাদাকালো ছিল জীবন, রঙহীন প্রতিদিন,
তুমি এঁকে দিলে রঙের আঁচড়—তবু হলে বিলীন।
মরুর দেশে কৌশলে ছলে, ফোটালে রঙিন ফুল,
হঠাৎ করেই জাগিয়ে দিলে ভালোবাসার হুল।
মরুভূমির বুকে গাঁথলে তুমি পাহাড়ি জুমের চাষ,
শুকনো মুখে ফোটালে হাসি—রেখে গেলে বারোমাস।
(অনেক আগে শুরু হয়েছিল দু’জনার এক গাঁথা,
কে করেছিল প্রেমের বয়ান; এক অমীমাংসিত ধাঁধা।
কয়েক বছর প্রেমের পরে, বিয়ে করল তারা,
বছর দশেক যেতে না যেতেই, অশান্তির ধারা।
মেঘের পর মেঘ জমেছে, রঙের উপর রঙ,
সাত আসমানে বিদায় ঘণ্টা বাজল ঢং ঢং।)
এসেছিলে যেভাবে, গেলে ঠিক তেমনই চুপে,
রেখে গেলে আমার জীবনে ভালোবাসার রূপে।
তবু কেন কষ্ট দিয়ে, ভালোবাসা শিখিয়ে গেলে?
নিয়ে গেলে জীবন আমার - সাথে সমস্ত আশা মেলে!
রসকষহীন মানুষটিকে শিখিয়ে দিলে হাসা,
আজও বুকের ভেতর বাজে কষ্টের অসহ্য পাঁশা।
যাবিই যদি চলে—ভালোবাসলি কেন বল?
জানলে যদি যাবেই, নাড়াতামই না কাঠির কল!
এইটুকুই ছিল তাদের সাথে থাকার ক্ষণ,
এ পর্যন্তই পথ চলার ছিল, ছিল ভালোবাসার রণ।
এইটুকু টিকেছিল সেই প্রতিজ্ঞার বাঁধন,
শেষ ভালোবাসাটুকু দিয়ে রেখেছিল তারা দু’জন।
এত ভালোবাসা তাদের—কোথায় গেল সব?
ভালোবাসা কেন আসে আর যায়, জানে কেবল রব!
তবুও ছেলেটা লেখে কবিতা,
প্রেমে কিংবা বিরহে সবার কথা।
আগে লিখত সফল প্রেমের গান,
শেষে হতো বিয়ে, থাকত পূর্ণতা প্রাণ।
এখন লেখে ব্যর্থতার কথা, ভাঙনের বেদনায়,
ভালোবাসা কীভাবে মরেছিল, হৃদয়ের শ্রুতিমায়।
মন আর কথা আঁকত সে,
ছন্দে-ছন্দে, পঙ্ক্তির পাতে।
নিজের-পরের করত না ভেদ,
তবু যেত হৃদয়ের সুরে বাঁধতে ছেদ।
তারই জীবনের ব্যর্থ প্রেম, বিরহের ব্যথা-গাঁথা—
কবিতার ছলে সে জানায় তা, বুঝতে পারো সে কথা?
অশ্রুজল ঝরিয়ে একদিন, আমি দিয়েছিলাম প্রতিজ্ঞা
“লিখবো না আমি আর তুমি হীনা কবিতা" !!
- অর্ক আশফাক
সাদাকালো ছিল জীবন, রঙহীন প্রতিদিন,
তুমি এঁকে দিলে রঙের আঁচড়—তবু হলে বিলীন।
মরুর দেশে কৌশলে ছলে, ফোটালে রঙিন ফুল,
হঠাৎ করেই জাগিয়ে দিলে ভালোবাসার হুল।
মরুভূমির বুকে গাঁথলে তুমি পাহাড়ি জুমের চাষ,
শুকনো মুখে ফোটালে হাসি—রেখে গেলে বারোমাস।
(অনেক আগে শুরু হয়েছিল দু’জনার এক গাঁথা,
কে করেছিল প্রেমের বয়ান; এক অমীমাংসিত ধাঁধা।
কয়েক বছর প্রেমের পরে, বিয়ে করল তারা,
বছর দশেক যেতে না যেতেই, অশান্তির ধারা।
মেঘের পর মেঘ জমেছে, রঙের উপর রঙ,
সাত আসমানে বিদায় ঘণ্টা বাজল ঢং ঢং।)
এসেছিলে যেভাবে, গেলে ঠিক তেমনই চুপে,
রেখে গেলে আমার জীবনে ভালোবাসার রূপে।
তবু কেন কষ্ট দিয়ে, ভালোবাসা শিখিয়ে গেলে?
নিয়ে গেলে জীবন আমার - সাথে সমস্ত আশা মেলে!
রসকষহীন মানুষটিকে শিখিয়ে দিলে হাসা,
আজও বুকের ভেতর বাজে কষ্টের অসহ্য পাঁশা।
যাবিই যদি চলে—ভালোবাসলি কেন বল?
জানলে যদি যাবেই, নাড়াতামই না কাঠির কল!
এইটুকুই ছিল তাদের সাথে থাকার ক্ষণ,
এ পর্যন্তই পথ চলার ছিল, ছিল ভালোবাসার রণ।
এইটুকু টিকেছিল সেই প্রতিজ্ঞার বাঁধন,
শেষ ভালোবাসাটুকু দিয়ে রেখেছিল তারা দু’জন।
এত ভালোবাসা তাদের—কোথায় গেল সব?
ভালোবাসা কেন আসে আর যায়, জানে কেবল রব!
তবুও ছেলেটা লেখে কবিতা,
প্রেমে কিংবা বিরহে সবার কথা।
আগে লিখত সফল প্রেমের গান,
শেষে হতো বিয়ে, থাকত পূর্ণতা প্রাণ।
এখন লেখে ব্যর্থতার কথা, ভাঙনের বেদনায়,
ভালোবাসা কীভাবে মরেছিল, হৃদয়ের শ্রুতিমায়।
মন আর কথা আঁকত সে,
ছন্দে-ছন্দে, পঙ্ক্তির পাতে।
নিজের-পরের করত না ভেদ,
তবু যেত হৃদয়ের সুরে বাঁধতে ছেদ।
তারই জীবনের ব্যর্থ প্রেম, বিরহের ব্যথা-গাঁথা—
কবিতার ছলে সে জানায় তা, বুঝতে পারো সে কথা?
অশ্রুজল ঝরিয়ে একদিন, আমি দিয়েছিলাম প্রতিজ্ঞা
“লিখবো না আমি আর তুমি হীনা কবিতা" !!

Comments
Post a Comment